চিঠির আয়নায় প্রাচীন রোম: প্লিনি দ্য ইয়াংগারের চিঠি, জীবন ও সময়

প্লিনি দ্য ইয়াংগার ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন প্রখ্যাত লেখক, আইনজীবী ও সিনেটর। তার জীবদ্দশায় তিনি বহু চিঠি লিখেছিলেন। তার এই চিঠিগুলো খুব ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকার কারণে রোমান সাম্রাজ্যের সামাজিক রাজনৈতিক জীবনের নানা রকম খুঁটিনাটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অবগত...

স্কিথিয়ানদের মানব চামড়া ব্যবহার: ইতিহাস না অতিরঞ্জন—হেরোডোটাস কি সত্য বলেছিলেন?

প্রাচীন ইতিহাসে অনেক গল্পকেই আমরা দীর্ঘদিন ধরে “অতিরঞ্জিত গল্প” বলে মনে করে এসেছি। বিশেষ করে গ্রিক ইতিহাসবিদ হেরোডোটাসের লেখা Histories গ্রন্থে স্কিথিয়ানদের সম্পর্কে করা কিছু ভয়ংকর দাবি বহু শতাব্দী ধরে বিতর্কের বিষয় ছিল। স্কিথিয়ানদের সম্পর্কে হেরোডোটাসের সবচেয়ে...

বারিকোট: মৌর্য ও ইন্দো-গ্রীক যুগে মিলিন্দ ও সম্রাট অশোকের শাসিত বৌদ্ধ নগর

বর্তমান পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াট উপত্যকায় অবস্থিত বারিকোট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। প্রাচীনকালে এই নগরীর নাম ছিল বাজিরা (Bazira)। গ্রিক ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় জানা যায়, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীর আগেই বারিকোট...

প্রাচীন মিশরের পিরামিড ও ব্রোঞ্জ যুগের বিস্ময়কর স্থাপত্য: সীমিত প্রযুক্তিতে গড়া অমর কীর্তি

আমাদের পূর্বপুরুষরা তিন থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে এমন সব স্থাপত্য গড়ে তুলেছিল, যা আজও বিস্ময়ে আমাদের অভিভূত করে। তখন তাদের হাতে ছিলনা  আধুনিক কোনোযন্ত্র। সীমিত প্রযুক্তি দিয়েই তারা এগুলোকে গড়েছিল। মিশরের আকাশছোঁয়া পিরামিড, মেসোপটেমিয়ার দেবালয় জিগুরাত, কিংবা ক্রিট...

সুমেরীয় সভ্যতা না সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা: কোনটি আগে গড়ে উঠেছিল?

মানব ইতিহাসের প্রাচীন যুগের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সভ্যতার নাম শুনলে সবার আগে আসে সুমেরীয় সভ্যতা এবং সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা। এই দুটি সভ্যতাই মানবজীবনের প্রাচীন অধ্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে। তবে কোনটি আগে গড়ে উঠেছিল তা জানার জন্য প্রত্নতত্ত্ববিদরা নানা প্রমাণ খুঁজে দেখেছেন।...
মিশরের বিখ্যাত রানী ক্লিওপেট্রার

মিশরের বিখ্যাত রানী ক্লিওপেট্রার

মিশরে নারীরা যে লিপস্টিক ব্যবহার করতেন, তা তৈরিতে ব্যবহার করা হতো গুবরেপোকার চূর্ণ করা অন্ত্র। আর চোখের নিচে তারা লাগাতেন কুমিরের শুকনো মলের চূর্ণ। একজন নারী হিসেবে ক্লিওপেট্রাও এসব ব্যবহারের বাইরে ছিলেন না। তবে ক্লিওপেট্রা তো একজন রানী। তাহলে তিনি কেন কেবল...

read more

সাম্প্রতিক পোস্ট

মুঘল মহিলাদের হজ্ব অভিযানঃ মুঘল-উসমানিয় [অটোমান] আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

মুঘল মহিলাদের হজ্ব অভিযানঃ মুঘল-উসমানিয় [অটোমান] আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

১৫৫৫তে, হুমায়ুনের মৃত্যুর ঠিক আগে উসমানিয় সাম্রাজ্যের নৌসেনাপতি সিদ্দি আলি রইস, পারস্য উপসাগরে জাহাজ দুর্ঘটনা সূত্রে দিল্লি দরবারে আসেন। তাঁকে দিল্লিতে বিপুল সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী খানইখানান বৈরাম খান ১০০০ সেনানী ৪০০ হাতির বাহিনী নিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান।...

read more
কর্পোরাল থেকে ফ্যুয়েরারঃ হিটলারের উত্থান

কর্পোরাল থেকে ফ্যুয়েরারঃ হিটলারের উত্থান

মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবথেকে ভয়ংকর ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে। এত ব্যাপক, সর্বগ্রাসী ধংসযজ্ঞ মানবজাতি আর কখনও প্রত্যক্ষ করে নি। একে অপরকে নিঃশেষ করার অভিপ্রায়ে তৎকালীন বিশ্বশক্তিগুলো যেনো সর্বশক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। টানা ছয় বছর (১৯৩৯-১৯৪৫)...

read more
বিংশ শতাব্দীর বিস্ময় ও একজন অনন্যসাধারণ কবিয়ালঃ রমেশ শীল

বিংশ শতাব্দীর বিস্ময় ও একজন অনন্যসাধারণ কবিয়ালঃ রমেশ শীল

‘ইস্কুল খুইলাছে রে মওলা, ইস্কুল খুইলাছে…’ –বহুল পরিচিত একটি কবিগান। শুধু পরিচিতই নয়, পছন্দনীয়ও বটে। তবে গানটি যেভাবে সাধারণের মুখে মুখে গুঞ্জিত হয়, গানটির রচয়িতার পরিচয়ও কি সেভাবে প্রস্ফুটিত হয়? না, হয় না। তবে ইতিহাসের সত্যিকার নায়কদেরকে সামনে নিয়ে আসার দায়িত্ব তো...

read more
ভাগ-বাটোয়ারার এক বেদনাবিধুর অধ্যায়ঃ ১৯৪৭ এর দেশ ভাগ

ভাগ-বাটোয়ারার এক বেদনাবিধুর অধ্যায়ঃ ১৯৪৭ এর দেশ ভাগ

অখন্ড ভারতবর্ষ। এক শান্তির ভূমি, সম্প্রীতির ভূমি। এতো বৈচিত্র্য, এতো সংস্কৃতি, এতো সম্প্রদায় মনে হয় না পৃথিবীর আর কোথাও আছে। এখানে মানুষে মানুষে অদ্ভূত মৈত্রী, প্রগাঢ় বন্ধন। কখনো নিজেদের শক্তিতে, আবার কখনো অন্যের অধীনে শাসিত হয়েছে এই ভারতবর্ষ। হয়তো দানা বেঁধে উঠেছে...

read more
হীরালাল সেনঃ একজন হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাধর উদ্ভাবক

হীরালাল সেনঃ একজন হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাধর উদ্ভাবক

১৮৭০ সাল। মানিকগঞ্জের বগজুরি গ্রামের এক উচ্চাভিলাষী জমিদার বাড়িতে আসর বসেছে, আমোদ-ফূর্তির আসর। প্রতিবারের মতো আজও একজন বাইজি এসেছেন, নেচে-গেয়ে আনন্দ দিয়ে যাচ্ছেন জমিদার বাড়ির পুরুষদের। বাইজি নাচছেন এবং দর্শকরা তার পায়ের কাছে আবির ছুঁড়ে দিচ্ছেন। বাইজির প্রতিটি ছন্দোময়...

read more
দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য বিরোধী আন্দোলন

দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য বিরোধী আন্দোলন

১৯৪৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকাতে এক আইনত জাতিগত বিভাজন ব্যবস্থার প্রচলন ছিল। ব্রিটিশ শাসিত সরকার দক্ষিণ আফ্রিকার অধিবাসীদের কৃষ্ণাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ, দক্ষিণ এশীয়, বর্ণসংকর এই চার বর্ণে ভাগ করে। যাবতীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিল দেশের মোট জনসংখ্যার ২০% এর কম...

read more

গল্প এবং কথা

আমাদের বাংলাদেশ

গ্যালারি

বিশ্ব ইতিহাস