মিশরের বিখ্যাত রানী ক্লিওপেট্রার, Stay Curioussis
মিশরে নারীরা যে লিপস্টিক ব্যবহার করতেন, তা তৈরিতে ব্যবহার করা হতো গুবরেপোকার চূর্ণ করা অন্ত্র। আর চোখের নিচে তারা লাগাতেন কুমিরের শুকনো মলের চূর্ণ।
একজন নারী হিসেবে ক্লিওপেট্রাও এসব ব্যবহারের বাইরে ছিলেন না। তবে ক্লিওপেট্রা তো একজন রানী। তাহলে তিনি কেন কেবল সাধারণ নারীদের কাতারে নিজেকে আটকে রাখবেন? তার রুপচর্চা পুরো ব্যাপারটিই ছিলো রাজকীয় ব্যাপারস্যাপার। গোসলের জন্য ক্লিওপেট্রা ব্যবহার করতেন টকে যাওয়া গাধার দুধ। তার চাকরবাকরেরা প্রতিদিন ৭০০ গাধার দুধ দোয়াতো। এরপর সেই দুধ দিয়ে পূর্ণ করা হতো বিশালাকার এক পাত্র। সেই দুধ টকে গেলেই কেবল ক্লিওপেট্রা তাতে গোসলে নামতেন। তার বিশ্বাস ছিলো, এর ফলে চামড়ার ভাঁজ দূর হয়।
শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক না কেন, ক্লিওপেট্রার এই গাধার দুধ কিন্তু আসলেই তার চামড়ার সুরক্ষায় কাজে আসতো। টকে যাওয়া ল্যাকটোজ ধীরে ধীরে ল্যাক্টিক এসিডে পরিণত হয়। এটা চামড়ার উপরিভাগের অংশকে ঝরিয়ে ফেলে। ফলে বেরিয়ে আসে তুলনামূলক কোমল, দাগহীন নতুন চামড়া।
 
 
মিশরের বিখ্যাত রানী ক্লিওপেট্রার, Stay Curioussis