কিউরিসিটি কর্ণার

ইতিহাস

মগধরাজ বিম্বিসার

মগধরাজ বিম্বিসার

গোধূলির ক্রান্তিলগ্নে রক্তিম আভায় সারা পৃথিবী যেন রক্তাক্ত হয়ে আছে। মগধ রাজ্যের রাজধানী রাজগৃহের সুবিশাল প্রাসাদের রাজ-বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই দিনটির কথা মনে পড়ে গেল মগধ ও অঙ্গ রাজ্যের প্রতাপশালী রাজা অজাতশত্রুর। নিজ ইচ্ছায় যেদিন স্বীয় পিতাকে বন্দিশালায় বন্দি করে নিজেকে হর্যঙ্ক বংশের একচ্ছত্র...

read more
টুথপেস্ট আর টুথব্রাশ ছাড়া আজকের জীবন চিন্তাই করা যায় না।

টুথপেস্ট আর টুথব্রাশ ছাড়া আজকের জীবন চিন্তাই করা যায় না।

টুথপেস্ট এর ধারণা মোটেও আধুনিক না,বরং আজ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় বা সাত হাজার বছর আগে থেকেই মানুষ টুথপেস্টের কথা জানত। যদিও প্রথম দিকে টুথপেস্টের কাজ ছিল শুধু দাঁতকে পরিষ্কার রাখা,পরে আস্তে আস্তে এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দাঁতের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোও। মূলত খ্রিস্টের জন্মেরও তিন থেকে পাঁচ...

read more
গুঙ্গা মহল

গুঙ্গা মহল

ইবাদত খানায় বসে নানান ধর্মের কাহিনী শুনতেন সম্রাট আকবর। একদিন তিনি ধর্ম প্রধানদের উদ্দেশ্য করে বললেন , আপনারা বলেন সবই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। কিন্তু সবকিছুই কি তিনি দিয়েছেন ? মানুষ কি তবে কিছুই সৃষ্টি করেনি ? যেমন ধরুন , ভাষা। কথা বলার ক্ষমতা, মানুষের স্বর সব সৃষ্টি কর্তা দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু ভাষার...

read more
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুঃখী কনিষ্ঠা কন্যা মীরা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুঃখী কনিষ্ঠা কন্যা মীরা

মীরার জীবনে যত জটিলতা ঘনিয়েছে, তার দুঃখ দেখে অনুতপ্ত হয়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছেলে রথীন্দ্রকে লিখেন, ‘ ওর জীবনের প্রথম দন্ড তো আমিই ওকে দিয়েছি। বিয়ের রাতে মীরা যখন নাইবার ঘরে ঢুকেছিলো তখনি একটা গোখরো সাপ ফনা ধরে উঠেছিলো— আজ আমার মনে হয়, সে সাপ যদি তখনি ওকে কাটতো তাহলে ও পরিত্রান পেতো।’ মীরা...

read more
ধর্মীয় প্রার্থনালয়ে চিত্রকর্ম

ধর্মীয় প্রার্থনালয়ে চিত্রকর্ম

সিস্টিন চ্যাপেলের সিলিংয়ের কাজ শেষ করার প্রায় পঁচিশ বছর পর শিল্পী মিকেলাঞ্জোলো ফিরে এসেছিলেন ভ্যাটিকান সিটিতে। সৃষ্টি করেছিলেন 'দ্য লাস্ট জাজমেন্ট' (১৫৩৬-৪১), ফ্রেস্কো দেখে চমকে উঠলেন সকলেই। চারদিকে গেল গেল রব। কারণ ধর্মের দিকে তীর ছুঁড়েছেন শিল্পী। যীশুকে দাড়িহীন করে আদতে নাকি পেগান মিথোলজির...

read more
রেনুকা বা রানিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অভিমানি কন্যা

রেনুকা বা রানিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অভিমানি কন্যা

কবির তিন মেয়ের মধ্যে রেনুকা বা রানি ছিলো মেজো। কৈশোরেই সে মারা যায়, পুরোপুরি ফুল হয়েও ফুটে উঠতেও পারেনি। সব ব্যাপারেই ছিলো তার সুগভীর ঔদাসীন্য। রানী ছোটবেলা থেকে ছিল অত্যন্ত দুরন্ত, জেদি অথচ তার মন ছিল অদ্ভুত সংবেদনশীল। তার সম্বন্ধে বলা হতো, সে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের আবহাওয়ার সঙ্গে ঠিক মানানসই...

read more

সম্পর্কিত পোষ্ট