কিউরিসিটি কর্ণার

ইতিহাস

মুর্শিদ কুলি আওরঙ্গজেব

মুর্শিদ কুলি আওরঙ্গজেব

[আহকামইআলমগিরির রামপুর নবাবের ফার্সী হস্তলিপি হইতে অনুদিত] যদুনাথ সরকার 🔹১ মুর্শিদকুলি খান বাংলা সুবার দেওয়ান হয়ে জাহাঙ্গিরনগর, আজকের ঢাকায় পৌঁছন ১৭ নভেম্বর ১৭০০য়। মুর্শিদকুলির পদপ্রাপ্তির প্রথম সময়ের ঘটে যাওয়া নানান ঘটনার কয়েকটির উল্লেখ পাওয়া যাবে সম্রাট আওরঙ্গজেবের প্রশাসনের পক্ষ থেকে...

read more
বঙ্গদেশের হিন্দু-মুসলমান ও বাংলা ভাষা

বঙ্গদেশের হিন্দু-মুসলমান ও বাংলা ভাষা

আমাদের আজকের বাংলাদেশ, আগে ছিলো বৃহত্তর বঙ্গদেশের একটি অংশ যার নাম ছিলো পূর্ব বাংলা। আর পশ্চিম দিকের অংশের নাম পশ্চিম বাংলা, এটি ভারতের একটি রাজ্য। এই দুই বাংলায় হিন্দু আর মুসলমানদের সংখ্যা ছিলো প্রায় সমান। কিন্তু ১৮৮০ সালের দিকে মুসলমানদের সংখ্যা হিন্দুদের ছাড়িয়ে যায়। তখন মুসলমানরা বাস করতো...

read more
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ মানব ইতিহাসের ভয়ংকরতম যুদ্ধের সূচনা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ মানব ইতিহাসের ভয়ংকরতম যুদ্ধের সূচনা

১৯৩৯ সালের মার্চের ২১ তারিখ | সকাল হতেই তৎকালীন জার্মান রাইখ চ্যান্সেলারীতে স্টাফ অফিসারদের তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় | খুব গুরুত্বপূর্ণ এক সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা | তখনকার জার্মান জাতীর ক্ষমতাসীন দল নাৎসী পার্টির সব বড় বড় মাথা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সব দুঁদে কমান্ডারদের এক টপ সিক্রেট মিটিং এ বসবেন প্রায় ছয়...

read more
শিরোনাম: বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দিরের শিবের গল্পকথা।

শিরোনাম: বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দিরের শিবের গল্পকথা।

বড়শশীর রাস্তার পাশের মন্দিরটায় প্রতি সোমবার সকাল সকাল একটি মন্ত্র শোনা যায়, অজং শাশ্বতং কারণং কারণানাং, শিবং কেবলং ভাসকং ভাসকানাম্ , তুরীয়ং তমঃপারমাদ্যন্তহীন, প্রপদ্য পরং পাবনং দ্বৈতহীনম্ - শ্রীমদ্ শষ্করাচার্য, বেদসার শিবস্তোত্রম্ পুরোহিত মশাই এর মন্ত্র ধ্বনি উচ্চারণের সাথে সাথে যেন তাল মিলিয়ে...

read more
নায়েব নাজিম নুসরাত জাং

নায়েব নাজিম নুসরাত জাং

ঢাকার নায়েব নাজিমদের মধ্যে ইন্তেজামউদ্দৌলা নাসিরুল মূলক নওয়াব সৈয়দ আলী খান বাহাদুর নুসরাত জং সবচেয়ে বেশি দিন, সাঁইত্রিশ বছর (১৭৮৫-১৮২২ সাল পর্যন্ত) অধিষ্ঠিত ছিলেন নায়েব নাজিম পদে। তাঁর বড় ভাই নায়েব নাজিম হাসমত জংয়ের মৃত্যুর পর কোম্পানির কাছে তিনি একইভাবে আবেদন জানিয়েছিলেন নায়েব নাজিম পদের এবং...

read more
দরিয়া-ই-নূর ঢাকার নবাবদের রত্ন

দরিয়া-ই-নূর ঢাকার নবাবদের রত্ন

দরিয়া-ই-নূর (শাব্দিক অর্থ আলোর নদী বা আলোর সাগর) ছিল নবাবদের রত্নরাজির মধ্যে সবচেয়ে উল্ল্যেখযোগ্য ও মূল্যবান অলংকার। দরিয়া-ই-নূর বাজুবন্ধরূপে ব্যবহার করা হতো। দরিয়া-ই-নূর প্রথমে দীর্ঘদিন মারাঠা রাজাদের অধিকারে ছিল। এরপর তা হায়দরাবাদের নবাব সিরাজ উল মুলকের পূর্বপুরুষদের হাতে আসে এক লাখ ৩০ হাজার...

read more

সম্পর্কিত পোষ্ট